জলপাইগুড়ি সংশোধনাগারে বিচারাধীন বন্দীর আত্মহত্যা




জলপাইগুড়ি, ৫ মে: জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বিচারাধীন বন্দীর আত্মহত্যাকে কেন্দ্র করে ছড়াল চাঞ্চল্য। আত্মঘাতী ওই বন্দীর নাম মহেশ রায়(৪৫)। তিনি ময়নাগুড়ির বাসিন্দা।




জানা গিয়েছে, স্ত্রী ও পুত্রকে খুন করার দায়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ। এরপর থেকে জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারেই বিচারাধীন বন্দী ছিলেন মহেশ রায়।

জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের সুপার সুপ্রকাশ রায় বলেন, “বৃহস্পতিবার রাত দু’টার সময় আমরা বিচারাধীন বন্দীর মৃতদেহটি দেখতে পাই। সংশোধনাগারের ১৭ নং সেল-এর বাথরুমে গিয়ে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে বলে অভিযোগ। রাত দু’টার সময় সেলে বন্দীদের দেখতে গিয়ে নজরে আসে ওই বন্দী তার সেল-এ নেই। এরপর ভেন্টিলেটর দিয়ে দেখা যায় বাথরুমে গামছা দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে রয়েছে মহেশ রায়।”

জেলা সুপার জানান, ২০১৭ সালের ১১ই অক্টোবর খুনের মামলায় বিচারাধীন বন্দী হয়ে সংশোধনাগারে আসে মহেশ। মহেশের বাড়ি ময়নাগুড়ি ব্লকের কাউয়াগাব গ্রামে। ময়নাগুড়ি থানার পুলিশের মাধ্যমে খবর দেওয়া হয়েছে মহেশের পরিবারকে।





You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!