ইরানকে হারিয়ে শেষ ষোলোর পথে স্পেন




ওয়েব ডেস্ক: আগের ম্যাচে ভাগ্য সহায় হলেও পরের ম্যাচেই তার ঠিক উলটো’টাই ঘটল ইরানের সঙ্গে। এক ভুলেই ম্যাচ পকেটে পুরল শক্তিশালী স্পেন। ইটালিয়ান স্টাইল ডিফেন্সও বাঁচাতে পারল না পারস্যের যোদ্ধাদের। দিয়েগো কোস্টার একমাত্র গোলে (পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনার মতো) ম্যাচ জিতল স্পেন। আর এমনই দুর্ভাগ্য ইরানি’দের যে বিশ্বকাপের মঞ্চে নয়া আমদানি ভিএআর প্রযুক্তিতে বাতিল হল তাদের গোল। তিকিতাকা ফুটবল আর ইরানের জমাটি ডিফেন্সের দ্বৈরথে জয় হল পাসিং ফুটবলের। চার পয়েন্ট পেয়ে পর্তুগালের সঙ্গে যৌথভাবে গ্রুপ শীর্ষে থাকল স্পেন।




অন্যদিকে, পরের রাউন্ডে ওঠা মুশকিল হয়ে গেল ইরানের কাছে। ইতিহাস গড়তে গেলে শেষ ম্যাচে পর্তুগালের সঙ্গে ড্র বা জয় দরকার কার্লোস কুইরোজের দলের। রোনাল্ডোদের ফর্ম দেখে যা খুব একটা সহজ হবে না বলে মনে করছেন না ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।

গোটা ম্যাচেই আক্রমণাত্মক ছিল স্পেন। ছোট ছোট পাস খেলে বিপক্ষের বক্সে ওঠা। ডিফেন্সের ফাঁক খুঁজে থ্রু পাস বাড়ানোর চেষ্টা। বল পজেশনে আধিপত্য। কিন্তু গোলমুখ খুলতে পারছিলেন না স্প্যানিশরা। অন্যতম কারণ, ইরানের জমাট রক্ষণ। যা মনে করিয়ে দিল আজুরিদের। তবে প্রতি আক্রমণেও ভাল সুযোগ তৈরি করছিল ইরান। কিন্তু অভিজ্ঞতার অভাবে ফিনিশিং নেই। দ্বিতীয়ার্ধে খেলার ছক পালটান হিয়েরোর ছেলেরা। কোস্টাকে লক্ষ্য করে লং বল পাঠানোর সংখ্যা বাড়ে। পাশাপাশি ইস্কো-ইনিয়েস্তা যুগলবন্দিতে মাঝমাঠে স্কিলের ফুলঝুরি তো ছিলই। ম্যাচের বয়স যখন ৫৩ মিনিট তখনই ফাটল ধরে ইরানের ডিফেন্সে। ডিফেন্ডার রামিন বল বের করতে গিয়ে কোস্টার হাঁটুতে বল লেগে ঢুকে যায় গোলে। ভাগ্যদেবী সহায় হলে যা হয়।

গোল খেয়ে খোঁচা খাওয়া বাঘের মতো স্পেনের বক্সে আক্রমণের ঝড় তোলে ইরান। ৬৩ মিনিটের মাথায় ফ্রি-কিক থেকে গোলও করেন ইরানের ফুটবলার আজাতুল্লাহি। কিন্তু ভিএআর প্রযুক্তিতে অফসাইডের জন্য তা বাতিল করে দেন রেফারি। তারপর বহু চেষ্টাতেও গোলমুখ খুলতে পারেনি ইরান। ম্যাচ হেরে হতাশায় ডুবে যায় ইরানের ফুটবলার’রা। পর্তুগালের সঙ্গে গ্রুপের শেষ ম্যাচ কার্যত গ্রুপের ফাইনাল ম্যাচে পর্যবসিত হতে চলেছে বোঝাই যাচ্ছে।





error: Content is protected !!