আলুতে রং মেশানোর অভিযোগে ১৫ জন আড়তকর্মীকে আটক করল সিঙ্গুর থানার পুলিশ




হুগলি,১৩ সেপ্টেম্বর:-আলুতে রং মেশানোর অভিযোগে ১৫ জন আড়তকর্মীকে আটক করল সিঙ্গুর থানার পুলিশ। এরপর আড়ত মালিকদের আটকের দাবিতে কাজ বন্ধ করে রাস্তায় আলু ফেলে বিক্ষোভ দেখালেন অন্য কর্মীরা।




বিশেষ সূত্রে পুলিশ জানতে পারে হুগলির সিঙ্গুর থানার রতনপুর এলাকার কিছু আড়তে আলুতে রং মিশিয়ে তা বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হচ্ছে। গতকাল সন্ধেয় কয়েকটি আলুর আড়তে হানা দেয় সিঙ্গুর থানার পুলিশ। আলুতে রং মেশানোর সময় হাতেনাতে আড়ত কর্মী ও মুটেসহ ১৫ জনকে আটক করে পুলিশ। এরপরই ওই এলাকার প্রায় ৩০০ জন মুটে ও আড়তকর্মী কাজ বন্ধ করে তারকেশ্বর-বৈদ্যবাটি বাইপাসে আলু ফেলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, আড়ত মালিকদের আটক না কর্মীদের অন্যায়ভাবে আটক করেছে পুলিশ। কর্মীরা বলেন, “আড়ত মালিকরা আলুতে রং মেশাতে বলেছে বলেই আমরা রং মেশাচ্ছি। এখানে আমাদের দোষ কোথায় ? অন্যায় ভাবে কর্মী ও মুটেদের পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে। তার বদলে আড়ত মালিকদের তুলে নিয়ে যাক।
বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন স্থানীয় একটি আড়তের মালিক রবীন্দ্রনাথ কোলে।

তাঁর যুক্তি, “আলুর সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য একটু-আধটু রং মেশাই। না হলে আলু বাজারে বিক্রি হবে না। সরকারি ভাবে আলুতে রং মেশানো নিষিদ্ধ। কিন্তু, আলুতে রং মেশালে কী ক্ষতি হয় সেটা জানানো হয়নি। তাছাড়া শুধু এখানেই নয়, হুগলিসহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার আলুর আড়তগুলিতে আলুতে রং মেশানো হয়।২০১৬ সালে আলুতে রং মেশানো পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে রাজ্য সরকার।

কিন্তু, তারপরেও হুগলির তারকেশ্বর, চাঁপাডাঙা এবং পুরশুড়ার আড়ত থেকে আলুতে রং মেশানো অভিযোগে অনেককে আটক করে পুলিশ। হুগলির এই আড়তগুলি থেকে কলকাতা ও বসিরহাটসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আলু সরবরাহ করা হয়। 




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!