সোনার ঝাঁটায় রাস্তা ঝাড়, সাজো সাজো রব চন্দ্রোদয় ইসকনে




নদিয়া, ১০জুলাই: রথযাত্রা উৎসব উপলক্ষে সাজো সাজো রব নদিয়ার মায়াপুর চন্দ্রোদয় ইসকন মন্দিরে। রথ ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। এরই ফাকে এই রথযাত্রাকে আরও মনোময় এবং গৌরবান্নিত করে তুলতে সাংবাদিকদের নিয়ে এক সাংবাদিক সন্মেলন করলেন মায়াপুর ইসকন মন্দির কতৃপক্ষ।




রথযাত্রা উৎসব কমিটির তরফে জগতধাত্রী দাস জানান, আগামী ১৪ জুলাই জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব সাড়ম্বরে পালিত হবে। রথযাত্রার দিন আমরা ইস্কন পরিচালিত রাজাপুর জগন্নাথ মন্দির থেকে রথযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। উপস্থিত থাকবেন কলকাতা উচ্চ ন্যায়ালয়ের বিচারপতি সমৃদ্ধ চক্রবর্তী। এছাড়াও ওই দিন মহামান্য বিচারপতি সোনার ঝাঁটা দিয়ে রাস্তা ঝাড় দেবেন।

এরপর জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার সুচনা করবেন। রাজাপুর জগন্নাথ মন্দির থেকে দীর্ঘপ্রায় আট কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে নিয়ে সুসজ্জিত রথ পৌছবে মায়াপুরের ইসকন চন্দ্রোদয় মন্দিরের মাসির বাড়ি। বাদ নেই নদিয়ার রানাঘাট হবিবপুরের ইস্কন মন্দিরও।

এখানে রথের দিন হবিবপুর ৩৪ নং জাতীয় সড়ক ধরে জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রা আসবেন তার মাসির বাড়ি রানাঘাট স্বাস্থ্যোন্নতি ময়দানে। রথযাত্রা উপলক্ষে থাকছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অন্যদিকে ইস্কন মন্দির কতৃপক্ষের দাবী পুরীর রথের পর হুগলির মাহেশের রথ। তাদের বিশ্বাস আগামী দিনে মায়াপুরের এই রথযাত্রা মাহেশের রথকে ছাপিয়ে যাবে। জাতি ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ জগন্নাথ দেবের আশীর্বাদ নিতে দূরদুরান্ত থেকে অগনিত ভক্তের সমাগম হবে।

এবিষয়ে ইসকনের আর এক কর্মকর্তা গৌরাঙ দাস বলেন, এই রথযাত্রা উৎসব শুধুমাত্র একটি জাতীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এখানে ধর্ম বর্ন ভুলে লক্ষ লক্ষ মানুষ আসেন। ১৯৯৬ সালে আমেরিকার সান ফান্সিসকোয় রথযাত্রার সর্বপ্রথম সুচনা করেন প্রভুপাদ এসি বেদান্ত। সেই থেকে শুরু আজও মহাধুমধামে চলে আসছে এই উৎসব। সারা বিশ্বে ইসকন মন্দির পরিচালিত ৭০০ মন্দিরে এই রথযাত্রা হয়ে থাকে। এখন অপেক্ষার হাতে গোনা কয়েকদিনের অপেক্ষা।




You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!