ভিডিও দেখুনঃ রং নিয়ে রংবাজি দুই রাজ্যে




রামপুরহাট,১৪ আগস্টঃরং দিয়ে সব কিছু দখল করার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। তারই প্রতিবাদ করেছে ঝাড়খণ্ড। কারণ পশ্চিমবঙ্গ সরকার দেখাশোনা করলেও ম্যাসাঞ্জর ড্যাম ঝাড়খণ্ড রাজ্যের মধ্যে রয়েছে। ফলে দুই রাজ্য ভাগাভাগি করে নিক। কিংবা যে রং ছিল সেই রং থাক”। মঙ্গলবার বীরভূমের রামপুরহাটে দলীয় কর্মী সভায় যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই পরামর্শ দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।




এদিন শহরের একটি অনুষ্ঠান ভবনের সভাকক্ষে দলের জেলা পধাধিকারিদের নিয়ে বৈঠকে বসেন রাজ্য সভাপতি। সঙ্গে ছিলেন দলের বীরভূম জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ ঘোষ, জেলা সাধারণ সম্পাদক শুভাশিস চৌধুরী, কালোসোনা মণ্ডল, জেলা সহ সভানেত্রী রূপা মণ্ডল। সভা শুরুর আগে সাংবাদিক সম্মেলনে ম্যাসাঞ্জরকে দুই রাজ্য ভাগ করে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, “এই রাজ্য একটা ব্র্যান্ড বের করেছে নীল সাদা।

এমনকি রেল লাইনের প্লাটফর্ম থেকে এয়ারপোর্টের দেওয়াল পর্যন্ত রঙে দখল করার চেষ্টা চালাচ্ছে যেটা কেন্দ্রীয় সরকারের। ম্যাসাঞ্জরে যে রং তা ছিল সেতা থাকতে অসুবিধা কোথায়। এই মানসিকতা থাকলে ওই রাজ্যের মানুষের তো একটা স্বাভিমান রয়েছে। তাই তারা বাধা দিয়েছে। লোগো লাগিয়েছে। দুই রাজ্যের লোগোই থাক। এটাই হওয়া উচিত। তা না হলে দুই রাজ্য অর্ধেক করে ভাগ করে নিক। তার পর নিজের নিজের লোগো লাগুক”।

এদিকে লোকসভা নির্বাচনে নাম না করে অনুব্রত মণ্ডল জেলের ভিতরে থাকবে বলে মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ। লোকসভা নির্বাচনে অনুব্রত মণ্ডল কি বাইরে থাকবেন? প্রশ্নে দিলীপবাবু বলেন, “শুধু উনি নন, অনেকেই ভিতরে থাকবেন। লোকসভা থেকেই তৃণমূলের পতন শুরু হবে”। তৃণমূলের দলীয় তহবিলে সিবিআই নজরদারি প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, “ওই দলের অনেক নেতাই তো দুর্নীতির দায়ে জেলে গিয়েছেন। আরও অনেকে যাবেন।

ওদের দলীয় তহবিলে অনেক চেক জমা পড়েছে। যার কোন হিসাব নেই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি কোটি কোটি টাকা দিয়ে কারা কিনলেন সেটা এখনও জানা যায়নি। তার তদন্ত হবে। তদন্ত শুরু হলেই ওরা উলটোপাল্টা কথা বলে”।




You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!