বন্দুক হাতে ঘর আটকে রেখে লুঠপাট, বংশীহারীর ন্যাংরা পীর এলাকায় আতঙ্ক







বংশীহারী, ৮ মার্চ: বন্দুক হাতে প্রাণে মারা ভয় দেখিয়ে লোকজনদের ঘর আটকে রেখে বাড়িতে লুঠপাট চালাল দুষ্কৃতীরা। সোনার গয়না সহ অন্যান্য সামগ্রী চুরি করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা। গতকাল গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটে বংশীহারী থানার ন্যাংরা পীর এলাকায়। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থলে যায় বংশীহারী থানার পুলিশ। সব মিলিয়ে লক্ষাধিক টাকার জিনিস খোয়া গিয়েছে বলে বাড়ির মালিক তাজমুল ইসলাম। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বংশীহারী থানার পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এদিকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ চুরির ঘটনায় জানাজানি হতেই আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসীরা।





 

জানা গিয়েছে, তাজমুল ইসলাম পেশায় কৃষক। স্ত্রী, ছেলে ও মা রয়েছে সংসারে। গতকাল রাতে খাওয়া দাওয়া করে সবাই ঘুমছিলেন। রাত ১ টা নাগাদ বাথরুম করতে ঘরের দরজা খুলতেই আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দুষ্কৃতীরা ভেতরে ঢোকে। বন্দুকের বাট দিয়ে আঘাত করা হয় তাজমুল ইসলাম ও তার স্ত্রী কোহিনুর বিবিকে। তারপর পরিবারের সকলকে আটকে রেখে লুঠপাঠ চালায় ৪-৫ জনের দুষ্কৃতী দল। বাড়িতে থাকা সোনার প্রায় ৪ভরি সোনার গয়না, কিছু রুপোর গয়না, মোবাইল, নগদ টাকা সহ অন্যান্য সামগ্রী চুরি করে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। চিৎকার করলে প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখায় দুষ্কৃতীরা। দুষ্কৃতীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার পর ভোরের দিকে খবর দেওয়া হয় পুলিশে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বংশীহারী থানার পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সব মিলিয়ে লক্ষাধিক টাকার জিনিস খোয়া গেছে বলে বাড়ির মালিক তাজমুল ইসলাম জানিয়েছেন। তদন্ত শুরু করলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে রাতের অন্ধকার ও দুষ্কৃতীদের মুখ ঢাকা থাকার ফলে চিহ্নতেও পারেনি পরিবারের লোকজন।




এবিষয়ে তাজমুক ইসলামের দাদা সিরাজুল ইসলাম জানান, ভাই বাথরুম করার জন্য রাতে দরজা খুলতেই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ভেতরে ঢোকে একদল দুষ্কৃতী। তাদের মারধর করে ও প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে বাড়ির সব জিনিস নিয়ে চম্পট দেয় তারা। সব মিলিয়ে লক্ষাধিক টাকার জিনিস খোয়া গেছে। পুলিশকে পুরো বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বংশীহারী থানার পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগ পেয়েছেন তারা। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তারা।




You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!