বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

গঙ্গারামপুর,  ১২ অক্টোবর: বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় এক প্রতিনিধি দল দক্ষিণ দিনাজপুরে আসে। জেলার গঙ্গারামপুর ও তপন ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা ঘুরে দেখেন তারা। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলে ছিলেন কেন্দ্রীয় জাতীয় বিপর্জয় মোকাবেলা দফতরের জয়েন্ট সেক্রেটারি ভি শশাঙ্ক শেখর, এগ্রিক্যালচার কো অপারেটিভের জয়েন্ট ডিরেক্টর ঝিন্টু দাস, অর্থ দফতরের অ্যাকাউন্টেন্ট এস দীননাথ সহ কয়েকজনের প্রতিনিধি দল। এছাড়াও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন জেলা শাসক শরদ কুমার দ্বিবেদী, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার সৌম্য রায়, গঙ্গারামপুরের বিডিও বিশ্বজিৎ ঢ্যাং সহ অন্যান্য জেলার আধিকারিকরা। এদিকে বন্যার মাস দুয়েক পর কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল জেলা পর্যবক্ষেণে আসায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে।

উত্তর দিনাজপুর হয়ে এদিন দক্ষিণ দিনাজপুরের ঢোকেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলটি। বুনিয়াদপুর সার্কেট হাউসে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেই বেরিয়ে পড়েন গঙ্গারামপুরের মহারাজপুরে। সেখানকার বন্যার পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তারা। সেখান থেকে পাটন, টুনটুনিপাড়া এলাকা পরিদর্শন করেন। বন্যায় ভেঙে যাওয়া রাস্তা ঘাট বাড়ি ঘর সেতু সব খতিয়ে দেখেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। কথা বলেন স্থানীয় এলাকাবাসীদের সঙ্গে। তাঁত শিল্পীরাও নিজেদের দুর্দশার কথা তুলে ধরে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সামনে। বন্যায় জেলার মোট ক্ষয়ক্ষতির হিসেব ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিনিধি দলটি। রাতে বুনিয়াদপুরের সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক সারেন তারা। এর পর তারা মালদার উদ্দেশ্যে রওনা হন।  এদিকে বন্যার অনেক পরে জেলা পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল আসায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে নানান মহলে। যেই সময় মানুষের সরকারের দাঁড়ানোর দরকার ছিল তখন তাদের পাত্তা পাওয়া যায়নি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতেই জেলায় এসেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল।

বিজ্ঞাপন

এবিষয়ে জাতীয় বিপর্জয় মোকাবেলা দফতরের জয়েন্ট সেক্রেটারি শশাঙ্ক শেখর বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে তারা বন্যা সংক্রান্ত রিপোর্ট সংগ্রহ করতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় এসেছেন। এদিনই তারা উত্তর দিনাজপুর জেলা ঘুরে দেখেছেন। সারাদিনে যতটা এলাকা ঘুরে দেখা সম্ভভ তা তারা দেখেছেন। এখানকার ক্ষতি এবং মানুষের সমস্যার তথ্য নিয়েছেন তারা। সেটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকে জমা করবেন। দিল্লি যাবার আগে তারা পাশের জেলা মালদহ এবং সেখান থেকে কলকাতা যাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *