নবমীর রাতে তপনে আত্মঘাতী কিশোর-কিশোরী




তপন, ৩০ সেপ্টেম্বর : বাড়ি পাশে জঙ্গলে এক কিশোর ও কিশোরীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল তপন থানার মির্জাপুর এলাকায়। শনিবার ওই কিশোর-কিশোরীর ঝুলন্ত মৃতদেহ নজরে আসে স্থানীয় এলাকাবাসীদের। খবর পেয়ে তপন থানার পুলিশ মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে তা ময়নাতদন্তের জন্য বালুরঘাট হাসপাতালে পাঠায়। মৃত্যুর কারণ কি তা জানা নেই দুই পরিবারের। তবে এলাকাবাসীর প্রাথমিক অনুমান প্রেম ঘটিত কারণের জন্য হয়তো আত্মঘাতী হয়েছে ওই দুই কিশোর-কিশোরী। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তপন থানার পুলিশ।







পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত কিশোর কিশোরীর পাশাপাশি বাড়ি। মৃতা কিশোরী স্থানীয় মুরালিপুর হাইস্কুলে ক্লাস ফাইভে পাঠ্যরত ছিল। অন্য দিকে মৃত কিশোর ভিকাহার আশ্রমে থাকত। সে ক্লাস নাইনে পড়ত। পুজোর ছুটিতে বাড়ি এসেছিল। গতকাল বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে তপনে ঠাকুর দেখতে যাওয়ার কথা ছিল তাদের। তবে শেষমেশ আর ঠাকুর দেখতে যায়নি। বাড়িতে বসেই টিভি দেখছিল ওই কিশোরী। তারা বাবা ছোট টুডু পেশায় দিনমজুর খাওয়া দাওয়া করার জন্য মেয়েকে ডাক দেয়। মেয়ে পরে খাবে বলে জানায়। মেয়ে পরে খেয়ে নেবে এই ভেবে তারা নিজেদের মত খেয়ে দেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। এদিন সকালে উঠে শুনতে পান তার মেয়ে ও পাশের ছেলে এক দড়িতে ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ঘটনাস্থলে আসে তপন থানার পুলিশ। পরে পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে তা ময়নাতদন্তের জন্য বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে পাঠায়। জোড়া মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা দেখা দিয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তপন থানার পুলিশ।




মৃতদের পরিবারের দাবি তারা কিছুই জানেন না। কেন তাদের ছেলে মেয়ে আত্মঘাতী হল। তারা একে অপরকে ভালোবাসতো নাকি সেটাও তারা জানত না। যদি তারা ভালোবাসতো তাহলে তাদের বিয়ে দিয়ে দিতেন প্রাপ্ত বয়স্ক হলে। কিন্তু কি কারণে তারা আত্মঘাতী হল তা অজানা তাদের। গতকাল ঠাকুর দেখতে যাওয়ার কথা ছিল। ঠাকুর দেখতে না গিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে তারা।

তপন থানার পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

ভিভিও- https://youtu.be/hh-EFl-JzqI








You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!