“একুশে নয়, উনিসেই হিসেব নিকেশ হবে,” তৃণমূলকে দিলীপ ঘোষের হুঁশিয়ারি




মালদা, ১৬ নভেম্বর : “একুশে নয় উনিসেই হিসেব নিকেশ শেষ করে দেওয়া হবে। তৃণমূল দল গুন্ডাদের দল । চোর, ছিনতাই বাজ, ডাকাত, রেপিস্ট সবাই দিদির ভাই। রাজ্যে পরিবর্তনের পরিবর্তন হবে।” দলীয় কর্মসূচিতে মালদায় এসে কালিয়াচকের রাজনগরের জনসভা থেকে এমই করা ভাষায় আক্রমণ করেন BJP-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুধু তাই নয়, বীরভূম জেলার তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের হুমকি প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন দিলীপবাবু।




আজ কালিয়াচক ৩ ব্লকের রাজনগর ও বামনগোলা ব্লকের পাকুয়াহাটে জনসভায় অংশ নেন BJP-র রাজ্য সভাপতি। তিনি জানান, ওই দুই জায়গায় অন্য দল থেকে প্রচুর নেতা-কর্মী তাঁদের দলে যোগ দেন। এই দুই জনসভা ছাড়াও আজ বিকেলে দলের জেলা সদর দপ্তরে সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন তিনি। এই প্রসঙ্গে বলেন, “উত্তরবঙ্গে আমাদের সংগঠন বেশ ভালো। তবে তা আরও শক্তিশালী করতে উত্তরবঙ্গ সফর করছি। আসলে আমাদের এই উত্থানে তৃণমূল ভয় পেয়ে গেছে। কারণ, শাসকদলের বেশিরভাগ নেতা-কর্মীই এখন আমাদের দলে যোগ দিচ্ছেন। রাজনৈতিকভাবে এর মোকাবিলা করতে পারছে না তৃণমূল। তাই পুলিশ দিয়ে আমাদের দলের নেতা-কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। এই আশঙ্কা থেকেই গতকাল কোচবিহারের হরিণচওড়ায় আমাকে আটকে দেয় পুলিশ। এতে অবশ্য ক্ষতির পরিবর্তে আমাদের লাভই হচ্ছে।” বৃহস্পতিবার দুপুরে মালদার কালিয়াচকের রাজনগরে জনসভায় যোগ দেওয়ার আগের বৈষ্ণবনগর থানার ১৬ মাইল এলাকা থেকে একটি মোটর সাইকেল রেলিতে অংশ নেন দিলীপ বাবু। কর্মী সমর্থকদের নিয়ে দুপুর দেড়টা নাগাদ পৌঁছন জনসভায়। এই সভা থেকে চাঁছা ছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেসকে। বাদ দেননি কংগ্রেসকেও। তিনি বলেন কংগ্রেস প্রায় নিশ্চিন্ন হয়ে গেছে । মিছিল মিটিংয়ে লোক খুঁজে পায়না কংগ্রেস নেতারা । পাশাপাশি রাজ্যে চোর ডাকাত দের মদত যোগাচ্ছে তৃণমূল । তোলাবাজ, খুনি, সবাই দিদির ভাই । তৃণমূলের ঝান্ডা ধরলেই পুলিশও কিছু করতে পারেনা । দিলীপ বাবু আরও বলেন সময় আসলে দিদির ভাই এবং পুলিশ

দুটোকেই পেটাবো আমরা । অন্য দিকে পাহাড় নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, পাহাড়ে তাঁরা যে বিমল গুরুঙের সঙ্গেই আছেন আজ ফের তার ইঙ্গিত দেন তিনি । বলেন, “আমরা গুরুঙের সঙ্গে নেই। গুরুঙের দল আলাদা। আমাদের আলাদা। গুরুঙের সঙ্গে আমাদের নির্বাচনী জোট হয়েছিল।” অবশ্য পর মুহূর্তেই তিনি বলেন, “গুরুং এখনও পাহাড়ের নেতা। ওরা জোর করে বিনয় তামাংকে নেতা বানিয়েছে। কিন্তু, বিনয় তামাং ভয়ে বাড়ি থেকে বেরোতে পারেন না। তিনি আবার কী নেতা হবেন ? তাই গুরুংকে আটকে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে যাতে তৃণমূল দাঁড়াতে পারে। কিন্তু তৃণমূল বা তামাং, কেউই সেখানে দাঁড়াতে পারবে না। গুরুঙের বিরুদ্ধে যে অবিচার হচ্ছে, রাজনৈতিক জোটের সদস্য হিসেবে আমরা এর প্রতিবাদ করছি।”





You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!