জম্মু-কাশ্মীরে বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের




এই মুহূর্তে,১০ জানুয়ারি গত বছর আগষ্ট মাসে ৩৭০ ধারা বাতিল করার পর থেকেই জম্মু-কাশ্মীরে বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা। ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক অধিকার এর মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করার অধিকার অন্যতম। তাই সেখানে জরুরি পরিষেবা যেমন শিক্ষা, চিকিৎসা ইত্যাদির ক্ষেত্রে শীঘ্রই ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।




২০১৯ সালের ৫ ই আগস্ট জম্মু কাশ্মীরের 370 ধারা তুলে নেওয়ার পর থেকেই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে, পাশাপাশি নেতানেত্রীদের গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। এই ব্যাপারে শুনানির পর আজ সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়। স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা এবং সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। ১৯(১)এ ধারায় মতপ্রকাশের অধিকারের সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারের অধিকার মৌলিক অধিকার হিসেবে গ্রাহ্য। তাই ইন্টারনেট পরিষেবা পুরোপুরি ভাবে বন্ধ রাখা খুবই কড়া পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। রায় প্রদানের সময় শীর্ষ আদালত বলেছে, ভাবনা-চিন্তা করে সমতা বজায় রেখেই বিধি-নিষেধ আরোপ করা উচিত ম্যাজিস্ট্রেটদের। দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ভয়াবহ বিপদ থাকলে তখন ইন্টারনেট পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা যায় , আর সেই হিসেবেই জম্মু-কাশ্মীরে এত দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার যুক্তিসম্মত কোন কারণ নেই।

দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী, ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর জম্মু-কাশ্মীরে যেসব বিধি-নিষেধ আনা হয়েছে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রশাসনকে তা খতিয়ে দেখতে হবে। অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ তুলে ফেলতে হবে। জরুরী পরিষেবায় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট রায় প্রদানের সময় আরও বলেন যে,১৪৪ ধারা জারি করার সময়ও অনেক দিক ভেবেচিন্তে তা প্রয়োগ করা উচিত। ইন্টারনেট পরিষেবা নির্দিষ্ট কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখা যায়, এবং তারপর তার পুনর্বিবেচনা করা উচিত। দেশবাসীর মৌলিক অধিকার ক্ষুন্ন করে কোন কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায় না।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!