২০১৯ সালে লোকসভা ভোট কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে হবে কর্মীদের আশ্বাসঃ দিলিপ ঘোষ




মুর্শিদাবাদ, ২১ জুলাইঃ“তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব চালাচ্ছে। সন্ত্রাস থেকে মুক্তি চেয়ে এই রাজ্যের মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল সর্বত্র অ-ব্যবস্থা। তৃণমূল নেত্রী জানেন মানুষ তাদের চাইছেন না। তাই তারা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ভোট দিতে দিচ্ছেন না। মানুষকে ভুল বোঝাতে প্রতি বছর ধর্মতলায় শহিদ দিবসে সভার নামে সার্কাসের আয়োজন করছেন।” শনিবার রেজিনগরে স্টেশন সংলগ্ন রেলের মাঠে বিজেপির প্রতিবাদ সভায় এইভাবেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসকে এভাবেই একহাত নিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ।




এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপত দিলিপ ঘোষ, রাজ্য বিজেপির সংখ্যা লঘু সেলের মহিলা সহ- সভানেত্রী মহফূজা খাতুন, রাজ্য সংখ্যা লঘু মোর্চার শোভাপোটী আলী হোসেন, উত্তর নদীয়ার সভাপতি মহাদেব কর্মকার, রাজ্য বিজেপি নেতা জয় ব্যানার্জি, জেলা সভাপতি গৌরীশঙ্কর ঘোষ, কংগ্রেস থেকে সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর সহ অন্যান্য স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। জানা গেছে, মুর্শিদাবাদ জেলায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপর তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডা ও পুলিসি অত্যাচারের প্রতিবাদে রেজিনগর স্টেশন সংলগ্ন রেলের মাঠে প্রতিবাদ সভা আয়োজন হয়।

রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “আগামী পাঁচ মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহকে এই রাজ্যে নিয়ে এসে পাঁচ বার সভা করব। সেই সভায় শনিবার কলকাতার ধর্মতলায় ২১ জুলাই শহিদ দিবসের সভার থেকে পাঁচ গুণ লোক বেশী জমায়েত হবে। তিনি আরও বলেন, যাদের উদ্দেশ্যে শহিদ দিবসের সভা করছেন সেই শহিদ পরিবারের সদস্যদের সভা মঞ্চে দেখা যায় না।”

এরপরেই সভায় উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তৃণমূলের সন্ত্রাসের জন্য পঞ্চায়েতে যারা ভোট দিতে পারেন নি তাদের আমি কথা দিচ্ছি ২০১৯ সালে লোকসভা ভোট কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে ভোট হবে। আপনারা সকলে ভোট দিতে পারবেন। যে সকল পুলিস তৃণমূলের হয়ে ভোট করেছেন তারা ২০০ মিটার দূরে গাছ তলায় বসে খৈনী খাবেন।’

তিনি সাচার কমিটির রিপোর্ট প্রসঙ্গ তুলে বলেন, সাচার কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে এই রাজ্যের সংখ্যা লঘু মুসলিমরা সবচেয়ে গরিব। মুখ্যমন্ত্রী মুখে সংখ্যালঘুদের উন্নতির কথা বলেন। অথচ এই রাজ্যে সংখ্যা লঘুদের কোন উন্নতি হয় নি দাবি করেন তিনি। তিনি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, এই রাজ্যে সংখ্যা লঘু মুসলিমদের মধ্যে শতকরা একজন চাকরি করেন। কিন্তু গুজরাতে শতকরা সাত জন চাকরি করেন।




You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!