৬ বছরের ছেলের সামনে মাকে বিষ খাইয়ে খুন, তার সাক্ষীতে ই যাবজ্জীবন সাজা বাবা, পিসি ও ঠাকুরমা




দক্ষিণ ২৪ পরগনা,২৬ জুলাই:জয়নগর থানার অন্তর্গত বাগানিয়া আবাদ গ্রাম। 2010 সালের দশই নভেম্বর স্ত্রী সোমা দেবীর সঙ্গে স্বামী জগদিশ মিদ্যার তুমুল ঝগড়া হয়। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করে স্বামী। যার জেরে রাতেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন সোমা দেবী। পরের দিন সকালে অটোর মধ্যে গুরুতর অসুস্থ সোমা দেবীর মুখ চেপে ধরেন তার শাশুড়ি গীতা দেবি পা ছড়াতে শুরু করে সোমা দেবী ঠিক তখনই ননদ রুপা দেবী বৌদির দুটি পা শক্ত করে চেপে ধরেন। আর তারপরেই গ্লাসে করে দিস নিয়ে সোমা দেবীর মুখে জোর করে ঠেলে দেয় তার স্বামী জগদীশ মিথ্যে। এরপর জয়নগর প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় সোমা দেবীকে। সেখানে চিকিৎসকরা চিকিৎসা শুরু করার কিছুক্ষণের মধ্যেই সোমা দেবীর মৃত্যু হয়।




সোমা দেবীর বাবা জয়নগর থানায় জামাই জগদিশ মিদ্যা, দেওর জগবন্ধু মিদ্যা, শাশুড়ি গীতা মিদ্যা, শশুর চিত্র রঞ্জন মিদ্যা ও ননদ রুপা মিদ্যা এই 5 জনের নামে এফ আই আর করে। জয়নগর থানার পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে বারুইপুর মহকুমা আদালত থেকে জামিন নেয় এই পাঁচ জন। 2013 সাল থেকে এই কেসের ট্রায়াল শুরু হয়।

11 জন সাক্ষী এই কেসে বারুইপুর আদালতে সাক্ষ্য দেয়। তার মধ্যে সোমা দেবীর ছয় বছরের ছেলে সাক্ষ্য দেয়। চিত্তরঞ্জন মৃধ্যা ও জগবন্ধু মৃধ্যারা বেকসুর খালাস পায়। বাবা, পিসি, ও ঠাকুমা কে গতকাল বারুইপুর মহকুমা আদালত দোসী সাবস্ত করে সেশন জার্জ ফাস্ট ট্রাক কোর্টের বিচারক রমেন্দ্র নাথ মাখাল। আজ সাজা ঘোষণা করেন বিচারক আইপিসি 498 এ ও 302 ধারায় তিন জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!