পিছিয়ে গেল ভারতী ঘোষের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি প্রত্যাহারের আবেদনের শুনানি




পশ্চিম মেদিনীপুর,১১ অক্টোবর:-ভারতী ঘোষের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি প্রত্যাহারের আবেদনের শুনানি পিছিয়ে গেল বেশ খানিকটা। সিআইডির তদন্তকারী অফিসার শংকর ভট্টাচার্যের অনুপস্থিতির কারণে এই মামলায় পরবর্তী শুনানি হবে ১৬ ই নভেম্বর। অর্থাৎ পুজোর ছুটির পরে এ বিষয়ে শুনানি হবে মেদিনীপুর আদালতে।




উল্লেখ্য,পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর থানা এলাকায় এক সোনা ব্যবসায়ীর করা সোনা প্রতারণার মামলা সহ মোট পাঁচটি মামলায় প্রাক্তন পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি হয়েছে মেদিনীপুর আদালত থেকে। সিআইডির করা আবেদনের ভিত্তিতে এই রায় দিয়েছে আদালত।

তারপরেই সুপ্রিম কোর্ট থেকে নিজের গ্রেফতারি তে স্থগিতাদেশ পেয়েছেন ভারতী ঘোষ। ফলে এরকম একাধিক গ্রাউন্ড দেখিয়ে মেদিনীপুর আদালতে ভারতী ঘোষের আইনজীবী অপূর্ব চক্রবর্তী আবেদন করেছিলেন ভারতী ঘোষ আইন-আদালতের সাক্ষাতে রয়েছেন।সুতরাং তার বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি বিষয়টি প্রত্যাহার করা হোক। সেই সঙ্গে তার একসময়ের দেহরক্ষী সুজিত মন্ডলের হয়েও একই আবেদন করা হয়েছিল। ওই দুই আবেদনের শুনানির দিন ধার্য হয়েছিল বুধবার মেদিনীপুর আদালতে।

কিন্তু সিআইডির আইনজীবী এসে আদালতে জানান-এই মামলার তদন্তকারী অফিসার শঙ্কর ভট্টাচার্য এই শুনানি সম্পর্কিত কোন রকম নোটিশ তিনি পাননি। তাই তিনি হাজির হননি। ফলে শুনানি প্রক্রিয়ায় তিনি অংশ নিতে পারছেন না। বিচারক বিষয়টি বিবেচনা করে এই শুনানি প্রক্রিয়া স্থগিত করে দেন। পরবর্তী দিন ধার্য হয় ১৬ ই নভেম্বর। তাহলে ঐদিন অপূর্ব চক্রবর্তীর পক্ষ থেকে নতুন একটি আবেদন করা হয়েছে আদালতে।

সেখানে বলা হয়েছে ভারতী ঘোষের ছেলে এম ভেঙ্কটেশ্বর এর দুটি ব্যাংক একাউন্ট সিআইডি ফ্রিজ করে রেখেছে। সেটি অবিলম্বে চালু করার অনুমতি দেওয়া হোক। এই সমস্ত আবেদনই পুজোর ছুটির পরে হবে বলে বিচারক জানিয়ে দিয়েছেন। ভারতী ঘোষের আইনজীবী অপূর্ব চক্রবর্তী বলেন ” পুরো কান্ডটিতে পরিকল্পিত ভাবে বিলম্বিত করা হচ্ছে। আমরা আদালতের নোটিশ স্ক্যান করে সিআইডিকে পাঠানোর পরেও ইচ্ছে করে অনুপস্থিত থেকে মামলাকে দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে। এটি এক প্রকারের হেনস্থা।”




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!