ধান অথবা পাট নয়, গাঁদা ফুল চাষ করে লাভের মুখ দেখছে গঙ্গারামপুরের চাষিরা







গঙ্গারামপুর, ২৭জানুয়ারিঃ কৃষি প্রধান জেলা হিসেবেই পরিচিতি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা। এই জেলার কৃষকরা মূলত ধান, পাট, গম ও সরিষা চাষ করে থাকেন। তবে ধান, গম, পাঠ, ভুট্টা চাষ নয়। গাঁদা ফুলের চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের শিববাড়ি এলাকার অনেক চাষি। গাঁদা ফুলের চাষ করে আজ সফল এলাকার কৃষকরা। আগামীদিনেও ফুল চাষ করতে চান তারা বলে জানিয়েছেন।







দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের শিববাড়ি এলাকার কৃষকরা আগে মূলত ধান, পাট, গম ও সরিষা চাষ করতেন। দিন দিন এই সব ফসলের দাম কমায় ও কৃষি আনুষঙ্গিক জিনিসের দাম ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্য চাষের চিন্তা ভাবনা করছিলেন এলাকার কৃষকরা। অবশেষে কয়েক বছর থেকে এলাকার বেশ কয়েকজন কৃষক গাঁদা ফুল চাষ করার চিন্তা ভাবনা নেন এবং প্রথমে অল্প জমিতে শুরু করেন এই চাষ।




দক্ষিণবঙ্গের রাণাঘাট থেকে গাঁদা ফুলের চারা নিয়ে আসেন এখানকার কৃষকরা। আশ্বিন মাসে জমি তৈরি করে তাতে শুরু করেন গাঁদা ফুলের চাষ। সব মিলিয়ে এক বিঘে জমিতে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়। ভাল ফলন হলে ফুল বিক্রি হয় দ্বিগুণ দামে। এতে লাভের হার অনেকটাই বেশী হয় ধান, গম, পাট বা ভুট্টা চাষের থেকে। আর শীত কালে নানান অনুষ্ঠান বিয়ে বাড়িতে গাঁদা ফুলের চাহিদাও অনেক বেশী থাকে।




এবিষয়ে গাঁদা ফুল চাষি বিষ্ণু পদ সরকার জানান, তার সামান্য কিছু জমি থাকলেও অন্যের জমি লিজ নিয়ে তাতে গাঁদা ফুল লাগিয়েছেন। গত আশ্বিন মাসে দক্ষিণবঙ্গের রাণাঘাট থেকে ২৫ পয়সা দরে গাঁদার চারা এনে জমিতে লাগান। অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে তিনি বাজারে ফুল বিক্রি শুরু করেন। ১বিঘা জমিতে চাষ করতে ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এই টাকা এক মাসেই উঠে গেছে বলে দাবী বিষ্ণুবাবুর। তার দেখাদেখি আগামীতে আরও কৃষক এই চাষের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। গাঁদা ফুলের চাষ করে তিনি লাভের মুখ দেখেছেন।

অন্য দিকের জেলা কৃষি দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এমন বিকল্প চাষের জন্য নানান সরকারি প্রকল্প রয়েছে। এতে খুব কম খরচে চাষ করতে পারবে কৃষকরা।








You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!