গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা




অমিত মহান্ত,গঙ্গারামপুর: ১৬ জুন:রবিবার সকালে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ালো পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে গঙ্গারামপুর থানার বিশাল পুলিস বাহিনী। গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল সূত্রে জানাগিয়েছে অনিতা রাজবংশী (২৭),বাড়ি গঙ্গারামপুর থানার ভোদনপাড়া এলাকায়।প্রসূতির পরিবারের অভিযোগ গত শনিবার রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হয় প্রসূতি বিভাগে।




প্রসূতির পরিস্থিতি শনিবার রাতে ভালো থাকার পর রবিবার সকালে হঠাৎ করে ডাক্তার প্রসূতিকে সিজার করার পরামর্শ দেন।সিজারের পর মাতৃগর্ভে শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে হাসপাতাল থেকে জানানো হয়। প্রসূতির মৃত্যুর খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রসূতির পরিবারের লোক গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভীড় করতে থাকে। হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগে সরব হয়। ইতিমধ্যেই গঙ্গারামপুর মহকুমা পুলিস আধিকারিক বিপুল ব্যানার্জির নেতৃত্বে বিশাল পুলিসবাহিনী গঙ্গারামপুর হাসপাতালে পৌঁছে প্রসূতির পরিবারের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। হাসপাতালে পুলিসি নিরাপত্তা থাকায় কোনো অপ্রীতি ঘটনা ঘটেনি।

প্রসূতির স্বামী প্রবীর রাজবংশী বলেন গঙ্গারামপুর সুপার স্পেসিয়ালিটি হাসপাতালে ডাক্তারের গাফিলতির কারণে নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার আমরা যখন রাতে ভর্তি করি তখন ডাক্তার বলেছেন প্রসূতি ও তার পেটের শিশু ঠিক রয়েছে। হটাৎ করে প্রসূতির শারীরিক সমস্যা দেখা দেওয়ায় আমাদের এক্সরে করতে বলে রিপোর্টে দেখা গিয়েছে নবজাতকের গলায় একটি কড পেচে আছে যার জন্য সিজার করার করার নির্দেশদিলেও ডাক্তার অনেক দেরি করে সিজার করায় গাফিলতির জেরে মৃত্যু হয়েছে নবজাতকের।আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিস প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।

ডাক্তারের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছি গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সুপার অমলকান্তি চৌধুরী বলেন আমি ছুটিতে রয়েছি বর্তমানে অতিরিক্ত সুপারকে দায়িত্বভার দেওয়া রয়েছে। প্রসূতির পরিবারের লোক ডাক্তারের গাফিলতির অভিযোগ তুলে লিখিত অভিযোগ জমা করেছেন। আমরা প্রসূতির শিশু মৃত্যুর ঘটনায় বিভাগীয় তদন্ত করে জেলায় রিপোর্ট পাঠাবো।

গঙ্গারামপুর মহকুমা পুলিস আধিকারিক বিপুল ব্যানার্জী বলেন আমরা ডাক্তারদের নিরাপত্তার জন্য ২৪ ঘন্টা পুলিস ও সিভিক মোতায়েন করে রেখেছি। সকালে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় রুগীর পরিজনদের মধ্যে উত্তেজনার খবর পাওয়া মাত্র আমি নিজে হাসপাতালে পৌঁছে রুগীর পরিজনদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছি। প্রসূতির পরিবারের লোক গঙ্গারামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে।




You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!