শর্টফিল্ম অ্যাওয়ার্ড, চতুর্থ সেরা ছবি ‘Teaspoon’




ওয়েব ডেস্ক, ৯জুলাই: নভেম্বর ২০১৫ তে মুক্তি পায় আবান ভারুচা ডিওহান্সের দ্বারা পরিচালিত শর্টফিল্ম ‘Teaspoon’। এই ছবিটির সঙ্গীত পরিচালনা ও নির্দেশনার দায়িত্বে ছিলেন রজত ঢোলাকিয়া ও প্রযোজক হিসাবে ছিলেন কিরণ ডিওহান্স। ছবিটির মুখ্য চরিত্রগুলিতে ‘কবিতার’ চরিত্রে অভিনয় করেন অভিনেত্রী শ্রী সাওয়ারা এবং ‘রাজীব’ এর চরিত্রে অভিনয় করেন ভ্যাকুয়ার ও রাজীবের বাবা অথ্যাৎ কবিতার শ্বশুর মশাই এর চরিত্রে অভিনয় করেন অভিনেতা ভমি দোতিওয়ালা। ২০১৫ সালে ব্যাঙ্গালোর শর্টফিল্ম অ্যাওয়ার্ডের পক্ষ থেকে চতুর্থ সেরা ছবির সম্মান পায় আবান ভারুচা ডিওহান্সের পরিচালিত ছবি ‘Teaspoon’।




 

ছবিটির প্রথমেই দেখানো হয় রাজীব, কবিতা এবং রাজীবের বাবাকে নিয়েই তাদের ছোট্টো সংসার। যেখানে একজন ইন্সুরেন্স কোম্পানির কর্মচারী হওয়ার সুবাদে তাকে বেশীরভাগ দিনই বাড়ির বাইরে থাকতে হয়। ফলে সংসারের যাবতীয় ঝোক্কি তার স্ত্রী কবিতাকেই সামলাতে হয়। এমনকি রাজীবের বাবা প্যারালাইসিস্ হয়ে পড়ায় তাকেও কবিতাকেই সামলাতে হয়। অসুস্থ বৃদ্ধ শ্বশুরমশাইকে নিয়েই রাজীব এবং কবিতারর মধ্যে চলতে থাকে তীব্র কলহ। আর সেই কলহ থেকেই কবিতা দিন দিন মানসিক ভাবে বিপযস্ত হয়ে পড়তে শুরু করে। কবিতার হতাশ হওয়ার কারণ, রাজীব কখনোই বোঝার চেষ্টা করেনি।

 

ফলে কবিতা তার শ্বশুরমশাই এর একটি বদ অভ্যাসকে রীতিমতন ঘৃণা করতে শুরু করে এবং সহ্যের সীমা পেরতেই, শেষে তার শ্বশুরমশাইকে নিজেই মেরে ফেলতে উদ্যোগী হয়। শ্বশুরমশাই মারা যাওয়ার পর পরই অবশ্য কবিতা তার নিজের ভুল বুঝতে পারল এবং তার মনে তিব্র অনুশোচনা হতে লাগল। এই শর্টফিল্মটির গল্পটি সত্যিই অনবদ্য। বাস্তব জীবনের হতাশা থেকেই ঘটে যেতে পারে এক বড় সর রকমের দুর্ঘটনা। আর এই ছবিটির মাধ্যমে পরিচালক এইটিই বোঝাতে চেয়েছেন।

 




You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!