উন্নত হচ্ছে বাংলা, শিক্ষিত হচ্ছে সমাজ




কলকাতা, ৯ জুলাই: উন্নত হচ্ছে বাংলা। শিক্ষিত হচ্ছে সমাজ। প্রশাসন বলছে নাবালিকার বিয়ে না দিয়ে তাকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে আর তার জন্য থাকছে অসংখ্য প্রকল্প। অন্যদিকে ২০১৮-র উচ্চমাধ্যমিকের ফলপ্রকাশের পর সদ্য ১৮ তে পা দেওয়া ছেলেমেয়েরা যখন উচ্চশিক্ষার জন্য কলেজে ভরতি হতে যাচ্ছে তখন তাদের মুখ থুবড়ে পড়তে হচ্ছে কলেজের গেটে।




উচ্চমাধ্যমিকে অঢেল নাম্বার পেয়ে পাশ করেও কলেজে ভরতি হতে পারছে না রাজ্যের বহু ছাত্রছাত্রীরা। উচ্চমাধ্যমিকে চমৎকার রেসাল্ট করেছ, এবার অনলাইনে ভরতি ফর্ম ফিলাপের কাজও শেষ, কিছুদিনের মধ্যে ফার্স্ট কিংবা সেকেন্ড লিস্টে নামটাও উঠে গেল, এবার কলেজ কাউন্সিলিংএ ডাকল মানেই নিশ্চিত ভাবে কলেজে ভরতি হয়ে গেলে।

কিন্তু গল্প এত তাড়াতাড়ি শেষ হওয়ার নয়। গল্প নতুন মোড় নিচ্ছে ঠিক এখানেই। কাউন্সিলিং-এ ডেকে কলেজের গেটের সামনে একদল ছোকরা আটকাচ্ছে পথ। টাকা দাও ভরতি হও আর নয়তো এই কলেজ থেকে বিদায় নাও, এমনই ঘটনা ঘটছে রাজ্যের কিছু কলেজেই। নাম্বার থাকা স্বত্ত্বেও কলেজে ভরতি হতে না পেরে আত্মহত্যা করছে ছাত্র ছাত্রীরা। সবকিছু দেখে শুনেও প্রশাসন মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছে। এ বিষয়ে এস.এফ.আাই সদস্যদের বক্তব্য, “এইরকম ঘটনা পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম ঘটলো। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কোনো লাভ হয়নি। এই আত্মহত্যা আদতে একপ্রকার খুন।”

অন্যদিকে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র এবং খড়গপুর আই আই টি -তে সদ্য চান্স পাওয়া বাংলার ভাবী ইঞ্জিনিয়ার সন্দীপন হালদারের মেধায় এবং কৃতিত্বে গর্বিত তার পরিবারসহ বাংলার মানুষ। এক পড়ন্ত বিকেলে ‘বাংলার পর্ব’-র সাথে একান্ত আড্ডায় সন্দীপন জানায় তার এই সাফল্যের জন্য বাবা মা এবং মিশনের শিক্ষকদেরও অবদান অপরিসীম। বাংলায় প্রযুক্তিবিদ্যা অনেক এগিয়ে। কলেজে ভর্তির বিভ্রাট এড়াতে বহু ছাত্রছাত্রী অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে।




You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!