৫ দিন পর মিলল মেয়ের খোঁজ, কিন্তু ঘরের মেয়ে আর ঘরে ফিরল না




বীরভূম,১৫ নভেম্বর:পাঁচ দিন ধরে মেয়ের অপেক্ষায় হত্যে দিয়ে পড়েছিলেন মা। বার বার ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করছিলেন জলদি যাতে মেয়ের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়। ৫ দিন পর মিলল মেয়ের খোঁজ। কিন্তু, ঘরের মেয়ে আর ঘরে ফিরল না। ৫ দিন নিখোঁজ থাকার পর উদ্ধার হল নাবালিকার নিথর দেহ। মৃতের নাম পিউ বাগদি। বয়স ৭ বছর। এদিন সকালে গ্রামবাসীদের চোখে পড়ে পিউ বাগদির দেহ। গ্রামের বাইরে মাঠের ধারে একটা পুকুরের জলে নাবালিকার নিথর দেহ ভাসতে দেখেন তাঁরা। সঙ্গে সঙ্গেই।




মহম্মদবাজার থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিস এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। জানা গিয়েছে, মহম্মদবাজারের সেকেড্ডা পঞ্চায়েতের দ্বারকোটা গ্রামে বাড়ি পিউ বাগদির। ১০ নভেম্বর শনিবার থেকে নিখোঁজ ছিল বছর সাতেকের পিউ বাগদি। জানা গেছে, কালীপুজো দেখার জন্য তার বাবা হলধর বাগদি ও মা আশা বাগদির সঙ্গে মহম্মদবাজারের আঙ্গারগড়িয়া পঞ্চায়েতের মালডিহা গ্রামে এসেছিল সে। মামার বাড়ি থেকেই নিখোঁজ হয়ে যায় সে।

অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও কোনও খোঁজ না পেয়ে মহম্মদবাজার থানায় দেয় বাড়ির লোক। কিন্তু তারপরেও ওই নাবালিকার কোনও খোঁজ মেলেনি। মহম্মদবাজার থানায় মিসিং ডায়রি করে নাবালিকার পরিবার। শেষে এদিন সকালে পুকুরের জলে ওই নাবালিকার দেহ ভাসতে দেখা যায়। এলাবাকাবাসী মনে করছে, ওই নাবালিকা ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। তারপরই প্রমাণ লোপাটের জন্য গ্রামের বাইরে পুকুরে দেহ ফেলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!