চলে গেলেন কিউবা তথা বিশ্বের প্রবাদ প্রতিম নেতা ফিদেল কাস্ত্রো

ওয়েব ডেস্কঃ নব্বই বছর বয়সে চলে গেলেন কিউবার প্রবাদপ্রতিম কমিউনিস্ট নেতা ফিদেল কাস্ত্রো।
কিউবার সরকারি টিভি চ্যানেল কিউবান টিভিতে কাস্ত্রোর মৃত্যুর খবর প্রচার করা হয়েছে। দাদার মৃত্যুর খবর স্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রো। বেশকিছু দিন ধরেই তিনি একাধিক রোগে ভুগছিলেন। অবশেষে ৯০ বছর বয়সে থামল তাঁর সংগ্রামী জীবন।

গত ৩০ বছর ধরে কিউবার প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফিদেল কাস্ত্রো। কিউবার কমিউনিস্ট আন্দোলন জোরালো হয়েছিল তাঁর হাত ধরেই। মার্কিন ‌যুক্তরাষ্ট্রে আগ্রাসনের সামনে দাঁড়িয়ে লড়াইয়ের এমন নজির পৃথিবীতে খুব কমই রয়েছেন। অসুস্থতার জন্য ২০০৮ সালে তিনি সরে দাঁড়ান। দেশের প্রেডিডেন্ট হন তাঁর ভাই রাউল কাস্ত্রো।(আরও পড়ুন : দৈর্ঘ ফুটবল মাঠের সমান, বিশ্বের দীর্ঘতম সিগার বানালেন কিউবার এক বাসিন্দা)
বহুদিন ধরেই কাস্ত্রো অন্ত্রের অসুখে ভুগছিলেন। ২০০৬ সালে এর জন্য তাঁর অন্ত্রে একটি অস্ত্রপচারও হয়েছিল। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে জল্পনা তৈরি হওয়ায় গত সপ্তাহে তিনি একাধিক হাতে লেখা বিবৃতি প্রকাশ করেন। কিন্তু শেষবারের মতো তাঁর জনসমক্ষে দেখা গিয়েছিল গত জানুয়ারি মাসে।

castro-dies-2222

সমাজতন্ত্র, নয়তো মৃত্যু। একরমই এক আদর্শের ওপরে সারাজীবন দাঁড়িয়েছিলেন কাস্ত্রো। চিন ও ভিয়েতনাম পুঁজিবাদের দিকে ঝুঁকলেও সমাজতন্ত্রের পথ থেকে সরে আসেননি ফিদেল কাস্ত্রো। কিন্তু তিনি ক্ষমতা থেকে অবসর নিতেই কিউবা আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নতির চেষ্টা করে কিউবা। ২০১৪ সালে আমেরিকার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ফের তৈরি করতে রাজি হন রাউল। ১৯৬১ সালে মার্কিন ‌যুক্রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে কিউবা।

পেশায় আইনজীবী ফিদেল কাস্ত্রো ১৯২৬ সালের ১৩ অগাস্ট জন্মেছিলেন পূর্ব কিউবায়। সে সময় তাঁর বাবা কাজ করতেন এক মর্কিন সুগার কোম্পানিতে। হাভানা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ও সমাজতন্ত্রে স্নাতক হন। কিন্তু পেশায় আটকে না থেকে ১৯৫৩ সালে কিউবার কমিউনিস্ট আন্দোলনে ‌যোগ দেন।

(india.com)


You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *